Ad Code

Ticker

7/recent/ticker-posts

একাদশ শ্রেণীর ভূগোল // TYPE OF VOLCANIC ERUPTION// WBHSE// GEOGRAPHIA

 একাদশ শ্রেণীর ভূগোল // TYPE OF VOLCANIC ERUPTION// WBHSE// GEOGRAPHIA



অগ্ন্যুৎপাতের নির্গমণপথের আকৃতি ও অবস্থানের ভিত্তিতে (On the Basis of the Shape and location of Emission Path of Volcanic Eruption)

এই পরিপ্রেক্ষিতে অগ্ন্যুৎপাতকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়— (1) কেন্দ্রীয় অগ্ন্যুৎপাত ( 2 ) বিদার অগ্ন্যুৎপাত। 

⏹️কেন্দ্রীয় অগ্ন্যুৎপাত:- ভূ-অভ্যন্তরে  ম্যাগমা, ম্যাগমা গহ্বর থেকে কোনো দীর্ঘ নলের মতন সরু পথের মধ্য দিয়ে উৎক্ষিপ্ত হলে সেই অগ্ন্যুৎপাতকে কেন্দ্রীয় অগ্ন্যুৎপাত বলে।

বিশেষ বৈশিষ্ট্য : (a) এক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়  বিস্ফোরণসহ অগ্ন্যুৎপাত হয়,

 (b) এই ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের কারণে বহু আগ্নেয়গিরি গড়ে ওঠে,

 (c) লাভাক্ষেত্র সৃষ্টি হয়,

 (d) জ্বালামুখ ও ম্যাগমা গহ্বর দীর্ঘকায় নলের মতন পথের দ্বারা সংযুক্ত থাকে।

⏹️ উদাহরণ : ভারতের আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের ব্যারেন আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত

✅✅বিদার অগ্ন্যুৎপাত (Fissure Eruption) : ভূপৃষ্ঠের বিশালায়তন স্থান জুড়ে অবস্থিত চ্যুতি, বিদার বা ফাটল প্রভৃতি দুর্বল স্থান দিয়ে ভূগর্ভস্থ লাভা ধীরগতিতে নির্গত হয়ে ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়লে, তাকে বিদার অগ্ন্যুৎপাত বলে। আইসল্যান্ড শ্রেণির অগ্ন্যুৎপাত এই প্রকৃতির।

⏺️⏺️বিশেষ বৈশিষ্ট্য : 

(i) এক্ষেত্রে লাভা অত্যন্ত তরল ও ক্ষারকীয় প্রকৃতির হওয়ায় বহুদূর পর্যন্ত প্রবাহিত হয় এবং কোনো প্রকার আগ্নেয় শঙ্কু গড়ে ওঠে না।

 (ii) লাভা ফাটল দিয়ে ধীরে ধীরে নিঃশব্দে কোনো বিস্ফোরণ ছাড়া নির্গত হয়। 

(iii) নির্গত লাভা সঞ্চিত হয়ে লাভা মালভূমি, লাভা ক্ষেত্র, লাভা সমভূমি গড়ে তোলে। 

(iv) এই ক্ষেত্রে লাভায় বাষ্প বা গ্যাসের উপস্থিতি থাকে না।

 (v) এই ধরনের অগ্ন্যুৎপাতের ক্ষেত্রে ফাটলটি ভূত্বকের সঙ্গে প্রায় সমান্তরালভাবে অবস্থান করায় ফাটল ও ম্যাগমা গহ্বরের সরাসরি সংযোগ থাকে না। 

🔰🔰উদাহরণ : আফ্রিকার ড্রাকেন্সবার্গ মালভূমি, ভারতের দাক্ষিণাত্যের মালভূমি প্রভৃতি বিদার অগ্ন্যুৎপাতের ফলে গঠিত ভূমিরূপের উদাহরণ।




Reactions

Post a Comment

0 Comments

Ad Code