মাধ্যমিক ভূগোল // 2 নম্বরের গুরুত্তবপুর্ন প্রশ্ন উত্তর // important question answer of geography 3 marks
ভারতীয় উপমহাদেশ বলতে কী বোঝো?
উঃ ধারণাঃ উপমহাদেশ বলতে একটি নিশ্চিত ভৌগোলিক
এলাকা অথবা রাজনৈতিকভাবে স্বাধীন অঞ্চলকে বুঝায় যা মহাদেশের অনুরূপ ।যেমন: ভারতীয়
উপমহাদেশ।
উপমহাদেশ বলতে মূলতঃ ভারতীয় উপমহাদেশকে বোঝানো
হয়ে থাকে।প্রতিবেশী রাষ্ট্র যেমন বাংলাদেশ,
পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে ভারতীয় উপমহাদেশ গঠিত। এ অঞ্চলে
হিমালয় পর্বতমালা রয়েছে। এছাড়াও, ভূ-সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে এশিয়া মহাদেশের অন্যান্য
অঞ্চল থেকে পৃথক করেছে। গোবি মরুভূমি, পামির মালভূমি, বৃষ্টিস্নাত বনাঞ্চল, পাহাড়-পর্বত,
সাগর-উপসাগর-মহাসাগরও এ অঞ্চলে বিদ্যমান। অনেক ভাষা, ধর্ম রয়েছে যা পৃথিবীর অন্য যে
কোন মহাদেশের প্রায় অনুরূপ।
কর্ণাটক মালভূমির দুটি ভূপ্রাকৃতিক
অংশের নাম লেখো
উঃ কর্ণাটক মালভূমির দুটি ভুপ্রাকৃতিক অংশের
নাম হলঃ
পশ্চিম অংশের নাম হল – মালনাদ এবং পুর্ব অংশের
নাম হল – ময়দান
মালনাদ: কর্ণাটক মালভূমির পশ্চিম অংশের উত্তর
পশ্চিম থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে বিস্তৃত উঁচু- নীচু ঢেউ খেলানো পাহাড়ি অঞ্চলকে
মালনাদ বলা হয়।
ময়দান: মালনাদ অঞ্চলের পূর্বদিকে অবস্থিত
কর্ণাটক মালভূমির অপেক্ষাকৃত নীচু ও মৃদু তরঙ্গায়িত মালভূমি ময়দান নামে পরিচিত।
তাল অঞ্চলের সংক্ষিপ্ত ধারণা দাও।
উঃ কুমায়ুন হিমালয়ে সৃষ্ট হ্রদগুলিকে স্থানীয়
ভাষায় তাল বলে। যেমন- নৈনিতাল , ভীমতাল , সাততাল
এবং পুনতাল প্রভৃতি
মালনাদ অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
উঃ কর্ণাটক মালভূমির পশ্চিম অংশের উত্তর পশ্চিম
থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে বিস্তৃত উঁচু- নীচু ঢেউ খেলানো পাহাড়ি অঞ্চলকে মালনাদ
বলা হয়।
ভারতের দুটি জলবিভাজিকা অঞ্চলের
নাম লেখো।
উঃ ভারতের বিখ্যাত দুটি জলবিভাজিকা হল — হিমালয়
পার্বত্যভূমি এবং পশ্চিমঘাট পর্বত ।
ভারতবর্ষকে ‘মৌসুমি জলবায়ুর দেশ’
বলা হয় কেন?
উঃ ভারতের জলবায়ুর ক্রান্তীয় মৌসুমি প্রকৃতির
হয় । মূলত দুই প্রকার মৌসুমি বায়ুর প্রভাব লক্ষ্য করা যায়।
১। গ্রীষ্মকালের আর্দ্র দক্ষিণ- পশ্চিম মৌসুমি
বায়ু এবং
২। শীতকালে শীতল ও শুষ্ক উত্তর-পূর্ব মৌসুমি
বায়ু ।
ভারতকে মৌসুমি জলবায়ুর দেশ বলে কারণ — ভারতের
বৃষ্টিপাত নির্ভর করে মৌসুমী বায়ুর আগমন ও প্রত্যাগমন কাল অনুযায়ী , ভারতের মোট বৃষ্টিপাতের
67 থেকে 72 শতাংশ বৃষ্টি মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাবে ঘটে।ভারতের জলবায়ুতে মৌসুমি বায়ুর
প্রভাব বেশি থাকায় ভারতে মৌসুমী জলবায়ুর দেশ বলে।
মৌসুমি বিস্ফোরণের সংজ্ঞা দাও।
উঃ কোন কোন বছর মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে ভারত
তথা অন্যান্য মৌসুমি বায়ুর প্রভাবিত অঞ্চল গুলিতে প্রচুর পরিমান বৃষ্টিপাত হয়, যা স্বাভাবিকের
থেকে অনেক বেশি। ফল স্বরূপ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। একেই মৌসুমি বিস্ফোরন বলে।
সাধারণত যে যে বছর প্রশান্ত মহাসাগরের এল নিনো উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায় না সে সে বছর
দক্ষিন পশ্চিম মৌসুমি বায়ু যথেষ্ট সক্রিয় হয়ে প্রবল বৃষ্টিপাত ঘটায়।
বৃষ্টির জল সংরক্ষণের দুটি উদ্দেশ্য
কী কী?
·
উঃ কৃষিকাজে জলের চাহিদা পুরণ : কৃষিকাজে
জলের চাহিদা পূরণের জন্য জল সংরক্ষণ অত্যন্ত দরকারি।
·
শিল্প ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক কাজে জলের
জোগান বজায় রাখা : শিল্প ও বিভিন্ন অর্থনৈতিক কাজে পর্যাপ্ত জলের জোগান বজায় রাখার
জন্য জল সংরক্ষণ একান্ত দরকার ।
ধারণযোগ্য উন্নয়ন বলতে কী বোঝো?
উঃ ধারণযোগ্য উন্নয়ন হল বর্তমান সভ্যতার
অগ্রগতির সাথে সাথে সম্পদের এমন ভাবে ব্যবহার ও সংরক্ষণ করতে হবে যে, সেই সম্পদ যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একই
ভাবে ব্যবহার করার সুযোগ পায়।। অর্থাৎ সম্পদের এমন ভাবে ব্যবহার যা বর্তমান প্রজন্মের
চাহিদা মেটানোর সঙ্গে সঙ্গে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে। এই পরিকল্পনাকে
ধারণযোগ্য উন্নয়ন বা সাসটিনেবল ডেভলপমেন্ট বলে।
ভারতের একটি কৃষিভিত্তিক এবং একটি
বনজভিত্তিক শিল্পের নাম লেখো।
উঃ কৃষিভিত্তিক শিল্পের উদাহরণ হল কার্পাস
শিল্প, চা শিল্প, চিনি শিল্প ও পাট শিল্প।
বন ভিত্তিক শিল্পের উদাহরণ হল কাগজ শিল্প,
প্লাইউড শিল্প, কাষ্ঠ শিল্প।
জীবিকাসত্তাভিত্তিক কৃষি বলতে কী
বোঝো?
উঃ মূলত খাদ্যশস্য চাষের মাধ্যমে জীবন ধারন
এবং জীবিকা নির্বাহের উদ্দেশ্যে যে কৃষি ব্যবস্থা গড়ে ওঠে তাকে জীবিকাসত্ত্বাভিত্তিক
কৃষি বলে। অবস্থান – এই ধরণের কৃষি মূলত দক্ষিন ও দক্ষিন-পূর্ব এশিয়ার ঘন জনবসতি পূর্ন
এলাকায় দেখা যায়
.jpg)
0 Comments