Ad Code

Ticker

7/recent/ticker-posts

IMPORTANT QUESTIONS OF GEOGRAPHY CLASS 12 CHAPTER - 1 WBHSE

IMPORTANT QUESTIONS OF GEOGRAPHY CLASS 12 CHAPTER - 1WEST BENGAL BOARD 



1. পাহাড়ের ঢালে টেলাস গঠনের সক্রিয় প্রক্রিয়াটি হল ==আবহবিকার


2. কূপ ও নলকূপের সঞ্চারিত জল কে বলা হয় – ক্রিয়েটিক জল


3. বিশাখাপত্তনম এর কাছে ডলফিন নজ হলো একটি - সমুদ্র ভূগু. 


4. পরস্পর দুটি তরঙ্গ শীর্ষ বিন্দুর মধ্যে সমান্তরাল দূরত্ব হলো - তরঙ্গ দৈর্ঘ্য


5. হিমবাহ অধ্যুষিত অঞ্চলে যে উপকূল দেখাযায় তা হল – ফিয়র্ড উপকূল


6. পুরো দেশীয় বাঁধ বা স্পিড এর পেছনে সৃষ্ট লবণাক্ত জলাভূমি কে জার্মান ভাষায় বলা হয় - ওয়াতেন


7. পৃথিবীর বৃহত্তম লেগুন হল ক্যালিডোনিয়া


৪. ভৌম জলতলের উর্ধ্বসীমা কে বলা হয় – প্রিজমেটিক তল


9. যে পুরো দেশীয় বাঁধ উপকূলের সঙ্গে কোন দীপ বা একাধিক দ্বীপকে যুক্ত করে তাকে বলে – টম্বোলো 


10. চুনাপাথর ও বৃষ্টির জল ধারা সৃষ্ট কার্বনিক এসিডের রাসায়নিক বিক্রিয়া কাকে বলে   অঙ্গার যোজন


11. নরওয়ে ও সুইডেনের উপকূল হলো ফিয়র্ড উপকূল


12. যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কোনো স্থানের শিলা সমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে সেই স্থানেই পড়ে থাকে তাকে বলে- আবহবিকার .

13. পাললিক শিলা গঠিত হওয়ার সময় কখনো কখনো জল তার মধ্যে আবদ্ধ হয়ে থেকে যায়। এই ধরনের জল কে বলা হয়- সহজাত জল


নগ্নীভবন বলতে কী বোঝো? ডুরিক্রাস্ট কি? বহির্জাত ও অন্তর্জাত প্রক্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য লেখা ? অবরোহন প্রক্রিয়ার ফলাফল লেখ?

উত্তরঃ  আবহবিকার হল শুধুমাত্র শিলার ওপরের অংশের বিচ্ছিন্নকরণ বা বিয়োজন । আবহবিকারের ফলে ভূত্বকের শিলাসমূহের উপরিভাগ চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে মূল শিলা থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় সেখানেই পড়ে থাকে, কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় শিলার বিচূর্ণীকৃত অংশগুলি অপসারিত হয় না ।  আবহবিকার প্রক্রিয়াটি যেখানে শেষ হয়, ক্ষয়ীভবন প্রক্রিয়াটি সেখানে শুরু হয় । আবহবিকার ও ক্ষয়ীভবন হল সম্পূর্ণ পৃথক দুটো প্রক্রিয়া, আর এই প্রক্রিয়া দুটিকে একসঙ্গে নগ্নীভবন বলা হয় ।

উষ্ণ আর্দ্র ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু অঞ্চলে যেখানে বৃষ্টিপাতের ঋতুভিত্তিক বণ্টনে তারতম্য লক্ষ্য করা যায় সেখানে মৃত্তিকার উপরিভাগ থেকে ক্ষারীয় পদার্থ ও সিলিকা অপসারিত হয়ে লোহা ও অ্যালুমিনিয়ামের অক্সাইড যুক্ত যে লাল বর্ণের কঠিন ভূত্বক সৃষ্টি হয় তাকে ডুরিক্রাস্ট বলে





মানবজীবনে ভৌম জলের গুরুত্ব কি? ভাদোস স্তর  কাকে বলে? ভৌমজলের নিয়ন্ত্রক গুলি ব্যাখ্যা করো। মুক্ত ও আবদ্ধ অ্যাকুইভারের মধ্যে পার্থক্য দেখা

মানবজীবনে ভৌমজলের গুরুত্ব যথেষ্ট । এগুলি হল নিম্নরূপ – 

১. কৃষিকাজে জলসেচঃ চুনাপাথর যুক্ত অঞ্চলে প্রবেশ্য শিলার নিচে যদি অপ্রবেশ্য শিলা থাকে তাহলে সেখানে ভৌমজল পাওয়া যায় । এই জল কৃষিকাজে ও বাগিচা ফসল চাষে সাহায্য করে । 


২. শিল্পাঞ্চল স্থাপনঃ আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলের চুনাপাথর গঠিত জায়গায় পর্যাপ্ত পরিমাণে ভৌমজল সঞ্চিত থাকে । তার ফলে চাষবাস ও শিল্প কাজে এই জলের ভূমিকা উল্লেখযােগ্য । উদাহরণ হিসাবে বলা যায় , উত্তর ফ্রান্সের জনসমৃদ্ধ শিল্পাঞ্চল এই ভৌমজলের উপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে ।


৩. প্রস্রবণ সৃষ্টিঃ প্রবেশ্য চুনাপাথরের নিচে অপ্রবেশ্য শিলাস্তরের সংযােগস্থল কোনাে কারণে উন্মুক্ত হলে সেখানে প্রস্রবণের সৃষ্টি হয় । এই প্রস্রবণ পানীয় জল সরবরাহ করে জনবসতি গড়ে তুলতে সাহায্য করে ।


৪. ভূ – তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনঃ উষ্ণ প্রস্রবণ ও গিসার ভৌমজলের দু’টি প্রকৃষ্ট উদাহরণ । এই ভৌমজলের উত্তাপের সাহায্যে ভূ – তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে ওঠে । যেমন ইতালি ও হাঙ্গেরিতে এইরকম বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে ।


৫. পশুপালনে সাহায্যঃ চুনাপাথর বা কাস্ট অঞ্চলে ভৌমজল অবস্থিতির জন্য ভূপৃষ্ঠ শুকনাে থাকে । তার ফলে কৃষিকার্য অপেক্ষা এই সকল অঞ্চলে পশুখাদ্য তৃণ জন্মায় বলে অধিবাসীরা পশুপালন করে জীবিকা নির্বাহ করে ।


৬. মনোরম ভূ – প্রকৃতি সৃষ্টিঃ সবশেষে বলা যায় ভৌমজলের কার্যের দ্বারা কোনাে কোনাে চুনাপাথরে গঠিত অঞ্চলে মনােরম ভূ – প্রকৃতির সৃষ্টি হয় । এই ভূ – প্রকৃতি পর্যটকদের আকর্ষণ করে এবং পর্যটন শিল্প গড়ে তুলতে সাহায্য করে । যেমন – দেরাদুনের সহস্রধারা , তপকেশ্বরের গুহা , পােল্যান্ডের টটরা ন্যাশনাল পার্ক পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় স্থান ।

ভাদোস স্তর  কাকে বলে?

 ভূ-অভ্যন্তরে সম্পৃক্ত স্তরের উপরিতল থেকে ভূপৃষ্ঠ পর্যন্ত বিস্তৃত বায়ুপূর্ণ অসম্পৃক্ত স্তরকে ভাদোস স্তর বলে।

ভৌমজলের নিয়ন্ত্রক গুলি ব্যাখ্যা করো।

নিম্নে ভৌমজলের নিয়ন্ত্রকগুলি আলোচনা করা হল-

১)অধঃক্ষেপনের প্রকৃতি= অধঃক্ষেপনের প্রকৃতির ওপর ভৌমজলের সঞ্চয় নির্ভর করে। শিলাবৃষ্টি, তুষারপাত ইত্যাদি অধঃক্ষেপনের থেকে বৃষ্টিপাত ভৌমজল সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে অধিক কার্যকর হয়। কারণ বৃষ্টির জল যত সহজে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে মৃত্তিকার মধ্যে প্রবেশ করতে পারে, অন্যান্য অধঃক্ষেপন অত সহজে মৃত্তিকার মধ্যে প্রবেশ করতে পারে না। তাই নিরক্ষীয় ও ক্রান্তীয় অঞ্চলের তুলনায় মেরু অঞ্চলে ভৌমজল সঞ্চয়ের পরিমাণ অনেক কম।

২)অধঃক্ষেপনের পরিমাণ=ভৌমজলের প্রধান উৎস হল অধঃক্ষেপন তথা বৃষ্টিপাত ও তুষারগলা জল। যে অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের পরিমাণ বেশি, সেই অঞ্চলে ভৌমজল অধিক সঞ্চিত হয়। অপরদিকে যে অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের পরিমাণ একেবারে কম, সেই অঞ্চলে ভৌমজলের সঞ্চয় গড়ে উঠতে পারে না।

৩)বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্ব= বৃষ্টিপাতের স্থায়িত্বের ওপর ভৌমজলের সঞ্চয় নির্ভর করে। যে অঞ্চলে অনেকক্ষণ ধরে বৃষ্টিপাত হয়, সেই অঞ্চলে ভৌমজলের সঞ্চয় ভালো হয়। অপরদিকে যে অঞ্চলে অল্প সময় ধরে বৃষ্টিপাত হয়, সেখানে ভৌমজলের সঞ্চয় কম হয়।

৪)বৃষ্টিপাতের তীব্রতা= বৃষ্টিপাতের তীব্রতার ওপর ভৌমজলের সঞ্চয় নির্ভর করে থাকে। কোন অঞ্চলে যদি হঠাৎ অল্প সময়ের মধ্যে প্রবল বৃষ্টিপাত হয়, তাহলে সেই অঞ্চলে ভৌমজলের সঞ্চয় কম হয়।কারণ এক্ষেত্রে বৃষ্টিপাতের অধিকাংশ জল গড়িয়ে চলে যায়।অপরপক্ষে কোন অঞ্চলে যদি  অনেকক্ষণ ধরে অল্প বৃষ্টিপাতও সংঘটিত হয়, তাহলে সেই অঞ্চলে ভৌমজলের সঞ্চয় বেশি হয়। কারণ এক্ষেত্রে বৃষ্টির জল অনেকক্ষণ ভূপৃষ্ঠে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।

৫)স্বাভাবিক উদ্ভিদের অবস্থান= স্বাভাবিক উদ্ভিদের অবস্থান পরোক্ষভাবে ভৌমজলের সঞ্চয়ে সাহায্য করে। বনভূমি অঞ্চলে বড় বড় গাছপালা বাষ্পমোচন প্রক্রিয়ায় দেহের অতিরিক্ত জলীয় অংশ বায়ুমন্ডলে ত্যাগ করে। ওই জলীয় অংশ ঘনীভূত হয়ে বৃষ্টিপাত ঘটায়, যা পরোক্ষভাবে ভৌমজল সঞ্চয়ে সাহায্য করে। এছাড়া অতিরিক্ত উদ্ভিদের অবস্থানের ফলে বৃষ্টিপাতের জলপ্রবাহ বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে বৃষ্টির জল দীর্ঘ সময় ভূপৃষ্ঠের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। এর ফলে ভৌমজলের সঞ্চয় ভালো হয়। এছাড়া উদ্ভিদের শেকড়ের মধ্য দিয়ে জল ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করেও ভৌমজল সঞ্চয়ে সাহায্য করে।


৬)শিলার প্রবেশ্যতা ও অপ্রবেশ্যতা=শিলার প্রবেশ্যতা ও অপ্রবেশ্যতা ভৌমজল সঞ্চয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রবেশ্য শিলাস্তরে শিলা গঠনকারী খনিজগুলি পরস্পরের সঙ্গে  আলগাভবে লেগে থাকে বলে তাদের মধ্যে অসংখ্য ছিদ্র থাকে। আবার ওই জাতীয় শিলাস্তরে অসংখ্য ফাটল ও দারণের উদ্ভব ঘটে, যাদের মধ্য দিয়েও বৃষ্টিপাত ও তুষার গলা জল সহজেই ভূ-অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারে। তাই প্রবেশ্য শিলাস্তর ভৌমজল সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে আদর্শ। অপরদিকে অপ্রবেশ্য শিলায় উক্ত বৈশিষ্ট্যগুলি থাকেনা বলে  তা ভৌমজল সঞ্চয়ের পক্ষে অনুপযুক্ত।

৭)ভূমির ঢাল=ভৌমজল সঞ্চয়়ে়র ক্ষেত্রে ভূমির ঢাল গুরুত্বপূর্ণ নিয়ন্ত্রক হিসাবে কাজ করে।ভূমির ঢাল খুব বেশি হলে বৃষ্টির জল ও তুষার গলা জল ভূপৃষ্ঠে দাঁড়াতে না পেরে সহজেই গড়িয়ে যায়। তাই খাড়া ঢাল যুক্ত অঞ্চলে ভৌমজলের সঞ্চয় প্রায় হয় না বললেই চলে। অপরপক্ষে স্বল্প বা মৃদু ঢাল যুক্ত অঞ্চলে বৃষ্টির জল ও তুষারগলা জল খুব ধীরে ধীরে নিষ্কাশিত হয়। ফলে সেখানে ওই জল ভূগর্ভে প্রবেশ করার সুযোগ পায়। তাই প্রায় সমতল অঞ্চলে ভৌম জলের সঞ্চয় অধিক হয়।



ক্ষযের শেষ সীমা সাপেক্ষে ভূপৃষ্ঠের সমতলিকরণ কোন ভূমিরূপ প্রক্রিয়া ঘটে থাকে?

==পর্যায়ন 

অ্যাকুইফ্লুড কাকে বলে?

== যে শিলা জলধারন করতে সক্ষম কিন্তু ভূ-অভ্যন্তরে পরিবহনে অক্ষম, তাদের অ্যাকুইক্লুড বলে ।

প্রস্রবন রেখা কাকে বলে?

== পৃথিবীর অধিকাংশ প্রস্রবণ গুলিকে বিক্ষিপ্ত ভাবে থাকতে দেখা যায়। তবে কোনো কোনো অঞ্চলে একটি রেখা বা শিলাস্তরের কোন ফাটল বরাবর অনেক গুলি প্রস্রবণ সারিবদ্ধ ভাবে অবস্থান করে, এইরূপ রেখাকে প্রস্রবণ রেখা বলে।

পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাস্ট অঞ্চল কোনটি?

== ইউরোপের বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা দেশের আল্পস পার্বত্য অঞ্চলে অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলে চুনাপাথর গঠিত কার্স্ট অঞ্চল পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাস্ট অঞ্চল।

অন্ধ উপত্যকা কাকে বলে?

== কার্স্ট অঞ্চলে প্রবাহিত কোনো নদী সিঙ্কহোল বা সোয়ালোহোলে অন্তর্হিত হলে, সেই নদীর অন্তঃসলিল হয়ে পড়ার আগের জলপূর্ন অংশকে অন্ধ উপত্যকা বলে এবং পরের জলশূন্য নদী উপত্যকাকে শুষ্ক উপত্যকা বলে ।

উৎস্যন্দ জলের উৎস কি?

== অগ্ন্যুৎপাতের সময় কিছু খনিজ মিশ্রিত উত্তপ্ত জল বের হয়, এই জলকে উৎস্যন্দ বা ম্যাগমাটিক বলে।

 ভারতের দুটি উষ্ণ প্রস্রবণ এর উদাহরণ দাও।

== ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বক্রেশ্বর, বিহারের রাজগির, হিমাচল প্রদেশের সিমলা কাছে তাতাপানি প্রভৃতি স্থানে উষ্ণ প্রস্রবণ দেখা যায়।

ভূ-অভ্যন্তরে যে শিলাস্তর জল শোষণ ও তার সরবরাহ হয় অক্ষম তাকে কি বলে?

== ভূ-অভ্যন্তরের যে শিলাস্তর জলশােষণ ও সরবরাহে অক্ষম তাকে কী স্তর বলে? ভূ-অভ্যন্তরের যে শিলাস্তর জলশােষণ ও সরবরাহে অক্ষম তাকে অপ্রবেশ্য স্তর বলে।


Reactions

Post a Comment

0 Comments

Ad Code