(WBBSE) নবম শ্রেণীর ভূগোলের "ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়া ও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রধান ভূমিরূপ"//(WBBSE) Class IX Geography: "Processes of Landform Development and the Major Landforms of the Earth"
পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) নবম শ্রেণীর ভূগোলের "ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়া ও পৃথিবীর বিভিন্ন প্রধান ভূমিরূপ" অধ্যায়ের একটি সম্পূর্ণ এবং বিস্তারিত নোট নিচে দেওয়া হলো। এটি তোমার পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত সহায়ক হবে।
১. ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়া (Geomorphic Processes)
যে সমস্ত প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের রূপ বা আকৃতির পরিবর্তন ঘটে এবং বিভিন্ন ভূমিরূপের সৃষ্টি ও বিনাশ হয়, তাদের ভূমিরূপ গঠনকারী প্রক্রিয়া বলে। এই প্রক্রিয়াকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
ক) অন্তর্জাত প্রক্রিয়া (Endogenetic Process)
পৃথিবীর অভ্যন্তরে উৎপন্ন যে সমস্ত বল বা শক্তির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের ধীর বা আকস্মিক পরিবর্তন ঘটে, তাকে অন্তর্জাত প্রক্রিয়া বলে। (যেমন: ভূমিকম্প, আগ্নেয়োচ্ছ্বাস, পাত সঞ্চালন)।
এই প্রক্রিয়াকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
ধীর আলোড়ন বা ভূ-আলোড়ন (Diastrophism): এটি কোটি কোটি বছর ধরে ধীর গতিতে কাজ করে। একে আবার দুটি ভাগে ভাগ করা যায়:
মহীভাবক আলোড়ন (Epeirogenic Movement): 'মহী' শব্দের অর্থ মহাদেশ। যে ভূ-আলোড়ন পৃথিবীর ব্যাসার্ধ বরাবর উল্লম্বভাবে (ওপর-নিচে) কাজ করে এবং যার প্রভাবে সুবিস্তৃত মহাদেশ, মালভূমি বা সমুদ্র অববাহিকার সৃষ্টি হয়, তাকে মহীভাবক আলোড়ন বলে। এতে শিলাস্তরে কোনো ভাঁজ পড়ে না, তবে ফাটল বা চ্যুতির সৃষ্টি হতে পারে।
গিরিজনি আলোড়ন (Orogenic Movement): 'গিরি' শব্দের অর্থ পর্বত। যে ভূ-আলোড়ন পৃথিবীর স্পর্শক বরাবর অনুভূমিকভাবে কাজ করে এবং শিলাস্তরে প্রবল পার্শ্বচাপের সৃষ্টি করে ভাঁজ ফেলে ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টি করে, তাকে গিরিজনি আলোড়ন বলে।
আকস্মিক আলোড়ন (Sudden Movement): খুব কম সময়ে হঠাৎ পরিবর্তন ঘটায়। যেমন—ভূমিকম্প ও আগ্নেয়োচ্ছ্বাস।
খ) বহির্জাত প্রক্রিয়া (Exogenetic Process)
যে সমস্ত প্রাকৃতিক শক্তি (যেমন: নদী, বায়ু, হিমবাহ, সমুদ্রতরঙ্গ, সূর্যতাপ, বৃষ্টিপাত) পৃথিবীর বাইরের অংশে বা ভূপৃষ্ঠে কাজ করে ভূমিরূপের পরিবর্তন ঘটায়, তাকে বহির্জাত প্রক্রিয়া বলে। এই প্রক্রিয়ার মূল ভিত্তি হলো পর্যায়ন (Gradation)। পর্যায়ন দুটি পদ্ধতিতে ঘটে:
অবরোহণ (Degradation): প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের উচুঁ স্থানগুলি ক্রমাগত ক্ষয় পেয়ে পেয়ে যখন ক্রমশ নিচু হতে থাকে, তখন তাকে অবরোহণ বা ক্ষয় পাওয়া বলে।
আরোহণ (Aggradation): অবরোহণের ফলে ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থগুলি যখন কোনো নিচু স্থান, গর্ত বা সমুদ্র অববাহিকায় দীর্ঘকাল ধরে সঞ্চিত হয়ে সেই জায়গার উচ্চতা বৃদ্ধি করে, তখন তাকে আরোহণ বা সঞ্চয় হওয়া বলে।
💡 আবহবিকার (Weathering): আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান (উষ্ণতা, বৃষ্টিপাত, আর্দ্রতা) এবং জীবজগতের দ্বারা ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তর স্বস্থানে (নিজের জায়গায়) চূর্ণ-বিচূর্ণ বা রাসায়নিকভাবে বিয়োজিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে আবহবিকার বলে। আবহবিকারে ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থের কোনো স্থানচ্যুতি ঘটে না।
২. পর্বত (Mountains) এবং তার বিস্তারিত শ্রেণীবিভাগ
ভূপৃষ্ঠের ওপর অবস্থিত সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সাধারণত ১,০০০ মিটারের বেশি উঁচু, খাড়া ঢালযুক্ত এবং বহু শৃঙ্গবিশিষ্ট সুবিস্তৃত শিলাময় স্তূপকে পর্বত বলে।
পর্বতের শ্রেণীবিভাগ:
উৎপত্তি ও গঠন বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী পর্বতকে চার ভাগে ভাগ করা যায়:
ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountain): গিরিজনি আলোড়নের ফলে অনুভূমিক পার্শ্বচাপের কারণে ভূগর্ভের নরম পাললিক শিলাস্তরে ভাঁজ (Fold) পড়ে যে পর্বতের সৃষ্টি হয়, তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে।
উদাহরণ: হিমালয় (এশিয়া), আল্পস (ইউরোপ), রকি (উত্তর আমেরিকা), আন্দিজ (দক্ষিণ আমেরিকা)।
স্তূপ পর্বত (Block Mountain): মহীভাবক আলোড়নের ফলে ভূত্বকে ফাটল বা চ্যুতির (Fault) সৃষ্টি হয়। দুটি চ্যুতির মধ্যবর্তী অংশ ওপরে উঠে গিয়ে অথবা দুই পাশের অংশ নিচে বসে গিয়ে মাঝখানের অংশ স্তূপের মতো দাঁড়িয়ে যে পর্বত গঠন করে, তাকে স্তূপ পর্বত বলে।
উদাহরণ: ভারতের সাতপুরা ও বিন্দ্য পর্বত, জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট, ফ্রান্সের ভোঁজ।
আগ্নেয় পর্বত বা সঞ্চয়জাত পর্বত (Volcanic Mountain): আগ্নেয়োচ্ছ্বাসের সময় ভূগর্ভস্থ উত্তপ্ত ম্যাগমা, ছাই, লাভা প্রভৃতি ফাটল দিয়ে বাইরে বেরিয়ে এসে দীর্ঘকাল ধরে আগ্নেয়গিরির চারিদিকে সঞ্চিত ও জমাটবদ্ধ হয়ে যে মোচাকৃতির পর্বত সৃষ্টি করে, তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।
উদাহরণ: ইতালির ভিসুভিয়াস, জাপানের ফুজিয়ামা, আফ্রিকার কিলিমাঞ্জারো।
অবশিষ্ট বা ক্ষয়জাত পর্বত (Residual Mountain): কোনো প্রাচীন উচ্চভূমি বা পর্বত দীর্ঘকাল ধরে নদী, বায়ু, রোদ, বৃষ্টির মতো বহির্জাত শক্তির দ্বারা ক্রমাগত ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে যখন তার কঠিন অংশটুকু অবশিষ্ট পাহাড় হিসেবে দাঁড়িয়ে থাকে, তাকে ক্ষয়জাত পর্বত বলে।
উদাহরণ: ভারতের আরাবল্লী, রাজমহল পাহাড়, পূর্বঘাট ও পশ্চিমঘাট পর্বতমালা।
৩. মালভূমি (Plateau) এবং তার বিস্তারিত শ্রেণীবিভাগ
সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সাধারণত ৩০০ মিটারের বেশি উঁচু, চারপাশ খাড়া ঢালযুক্ত এবং ওপরের অংশটি সামান্য তরঙ্গায়িত বা টেবিলের মতো সমতল ভূমিরূপকে মালভূমি বলে। একে 'টেবিল ল্যান্ড' (Table Land) বলা হয়।
মালভূমির শ্রেণীবিভাগ:
উৎপত্তি ও ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী মালভূমিকে মূলত চার ভাগে ভাগ করা যায়:
পর্বতবেষ্টিত মালভূমি (Intermontane Plateau): যে সমস্ত মালভূমি চারদিকে পর্বতমালা দ্বারা পরিবেষ্টিত থাকে, তাকে পর্বতবেষ্টিত মালভূমি বলে। গিরিজনি আলোড়নের সময় ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির সাথেই এগুলি গঠিত হয়।
উদাহরণ: তিব্বত মালভূমি (পৃথিবীর সর্বোচ্চ মালভূমি বা পৃথিবীর ছাদ), বলিভিয়া মালভূমি।
মহাদেশীয় মালভূমি বা শিল্ড (Continental Plateau / Shield): বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে প্রাচীন রূপান্তরিত শিলা দ্বারা গঠিত মহাদেশের অন্তর্বর্তী অত্যন্ত প্রাচীন, শক্ত ও স্থিতিশীল মালভূমিকে মহাদেশীয় মালভূমি বা শিল্ড বলে।
উদাহরণ: ক্যানাডীয় শিল্ড, সাইবেরীয় শিল্ড, দক্ষিণাত্যের মালভূমির একাংশ।
লাভা গঠিত মালভূমি (Lava Plateau): ভূগর্ভের শান্ত ফাটল অগ্ন্যুৎপাতের (Fissure Eruption) মাধ্যমে তরল লাভা ভূপৃষ্ঠে ছড়িয়ে পড়ে এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে জমাট বেঁধে যে মালভূমি সৃষ্টি করে, তাকে লাভা গঠিত মালভূমি বলে।
উদাহরণ: ভারতের দাক্ষিণাত্যের উত্তর-পশ্চিম অংশ (ডেকান ট্র্যাপ), আমেরিকার কলম্বিয়া মালভূমি।
ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি (Dissected Plateau): কোনো প্রাচীন উচ্চ মালভূমি অঞ্চল দিয়ে নদী, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তি প্রবাহিত হলে, নদী উপত্যকাগুলি মালভূমিটিকে ছোট ছোট অংশে বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ফলে মালভূমিটি খণ্ডিত বা ব্যবচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
উদাহরণ: ভারতের ছোটনাগপুর মালভূমি, কর্ণাটক মালভূমি।
৪. সমভূমি (Plains) এবং তার বিস্তারিত শ্রেণীবিভাগ
সমুদ্রপৃষ্ঠের সমউচ্চতায় অবস্থিত বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সামান্য উঁচু (সাধারণত ৩০০ মিটারের কম), মৃদু ঢালযুক্ত এবং সামান্য তরঙ্গায়িত বা সমতল বিস্তীর্ণ ভূভাগকে সমভূমি বলে।
সমভূমির শ্রেণীবিভাগ:
উৎপত্তি অনুসারে সমভূমিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়:
উত্থিত বা বসে যাওয়া সমভূমি (Structural Plain): ভূ-আলোড়নের ফলে সমুদ্রের তলদেশ ওপরে উঠে গিয়ে অথবা কোনো স্থলভাগ নিচে বসে গিয়ে যে সমভূমির সৃষ্টি হয়, তাকে গাঠনিক সমভূমি বলে।
উদাহরণ: রাশিয়ার স্তেপ সমভূমি, আমেরিকার হ্রদ সমভূমি।
ক্ষয়জাত সমভূমি (Erosional Plain): কোনো উচ্চভূমি (পর্বত বা মালভূমি) দীর্ঘকাল ধরে নদী, বায়ু, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তির দ্বারা ক্রমাগত ক্ষয় পেয়ে প্রায় সমতলে পরিণত হলে তাকে ক্ষয়জাত সমভূমি বলে। এর মধ্যে দুটি প্রধান হলো:
পেনিপ্লেন বা সমপ্রায় ভূমি: আর্দ্র অঞ্চলে নদীর দীর্ঘদিনের ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত মৃদু তরঙ্গায়িত সমভূমি (যেমন—ছোটনাগপুরের কিছু অংশ)।
পেডিপ্লেন: শুষ্ক বা মরু অঞ্চলে বায়ুর ক্ষয়কাজের ফলে গঠিত সমভূমি।
সঞ্চয়জাত সমভূমি (Depositional Plain): নদী, বায়ু, হিমবাহ প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা বাহিত পলি, বালি, কাঁকর প্রভৃতি কোনো নিচু হ্রদ বা সমুদ্র অববাহিকায় দীর্ঘকাল ধরে সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমি গঠন করে, তাকে সঞ্চয়জাত সমভূমি বলে। এটি অত্যন্ত উর্বর হয়।
পলিগঠিত বা প্লাবন সমভূমি (Flood Plain): বর্ষাকালে নদীর দুকূল ছেপে পলি জমে এই সমভূমি তৈরি হয় (যেমন—সিন্ধু-গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র সমভূমি)।
বদ্বীপ সমভূমি (Deltaic Plain): নদীর মোহনায় পলি, বালি জমে ব-দ্বীপের আকারে সমভূমি তৈরি হয় (যেমন—গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের সম্মিলিত বদ্বীপ)।
লোয়েস সমভূমি (Loess Plain): মরুভূমি থেকে সূক্ষ্ম বালুকণা বা ধূলিকণা বায়ু দ্বারা বহু দূরে উড়ে গিয়ে সঞ্চিত হয়ে এই সমভূমি গঠন করে (যেমন—চীনের হোয়াংহো নদীর অববাহিকায় লোয়েস সমভূমি)।
| পার্থক্যের ভিত্তি | অবরোহণ প্রক্রিয়া (Degradation) | আরোহণ প্রক্রিয়া (Aggradation) |
| মূল ধারণা | প্রাকৃতিক শক্তির প্রভাবে ভূপৃষ্ঠের উঁচু স্থানগুলির ক্রমাগত ক্ষয় পাওয়ার প্রক্রিয়া হলো অবরোহণ। | ক্ষয়প্রাপ্ত পদার্থগুলি নিচু স্থানে সঞ্চিত হয়ে ভরাট হওয়ার প্রক্রিয়া হলো আরোহণ। |
| উচ্চতার পরিবর্তন | এই প্রক্রিয়ার ফলে ভূপৃষ্ঠের উচ্চতা ক্রমশ হ্রাস পায় বা নিচু হয়। | এই প্রক্রিয়ার ফলে ভূমির উচ্চতা ক্রমশ বৃদ্ধি পায় বা উঁচু হয়। |
| শক্তির ভূমিকা | এখানে নদী, বায়ু বা হিমবাহের ক্ষয় ও বহন কাজ প্রধান ভূমিকা নেয়। | এখানে নদী, বায়ু বা হিমবাহের সঞ্চয় কাজ প্রধান ভূমিকা নেয়। |
| নিয়ন্ত্রক উপাদান | আবহবিকার, ক্ষয়ীভবন এবং পুঞ্জিত ক্ষয় হলো অবরোহণের মূল নিয়ন্ত্রক। | পলি, বালি, কাঁকর, ধূলিকণার অবক্ষেপণ হলো আরোহণের মূল নিয়ন্ত্রক। |
| ফলাফল | এর ফলে ক্ষয়জাত পর্বত, ব্যবচ্ছিন্ন মালভূমি বা সমপ্রায় ভূমি সৃষ্টি হয়। | এর ফলে প্লাবন সমভূমি, বদ্বীপ, লয়েশ সমভূমি বা বালিয়াড়ি সৃষ্টি হয়। |
| পার্থক্যের ভিত্তি | মহীভাবক আলোড়ন (Epeirogenic Movement) | গিরিজনি আলোড়ন (Orogenic Movement) |
| শব্দার্থ | 'মহী' শব্দের অর্থ মহাদেশ এবং 'ভাবক' শব্দের অর্থ সৃষ্টিকারী। অর্থাৎ, এটি মহাদেশ সৃষ্টিকারী আলোড়ন। | 'গিরি' শব্দের অর্থ পর্বত এবং 'জনি' শব্দের অর্থ জন্ম। অর্থাৎ, এটি পর্বত সৃষ্টিকারী আলোড়ন। |
| কাজের অভিমুখ | এই আলোড়ন পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে ব্যাসার্ধ বরাবর উল্লম্বভাবে (ওপর-নিচে) কাজ করে। | এই আলোড়ন পৃথিবীর ভূত্বকের স্পর্শক বরাবর অনুভূমিকভাবে (পাশাপাশি) কাজ করে। |
| প্রভাবের এলাকা | এটি পৃথিবীর একটি বিশাল বা সুবিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে প্রভাব বিস্তার করে। | এটি তুলনামূলকভাবে সংকীর্ণ ও দীর্ঘ রৈখিক অঞ্চল জুড়ে কাজ করে। |
| শিলার পরিবর্তন | এর ফলে শিলাস্তরে কোনো ভাঁজ পড়ে না, তবে শিলাস্তরের উত্থান, পতন বা চ্যুতি ঘটে। | এর ফলে শিলাস্তরে তীব্র পার্শ্বচাপের সৃষ্টি হয় এবং নরম পাললিক শিলাস্তরে ভাজ (Fold) পড়ে। |
| গঠিত ভূমিরূপ | এর প্রভাবে মহাদেশ, বিস্তীর্ণ মালভূমি বা সমুদ্র অববাহিকা গঠিত হয়। | এর প্রভাবে মূলত ভঙ্গিল পর্বত (যেমন: হিমালয়, আল্পস) গঠিত হয়। |




0 Comments